বাজারে আসেনি স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত শীতকালীন  সবজি


জয় বাংলা নিউজ প্রকাশের সময় : ২৬/১১/২০২১, ১০:১২ PM / ১৩
বাজারে আসেনি স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত শীতকালীন  সবজি

মোঃশহীদুল ইসলাম রানা, বান্দরবান সংবাদ দাতা:

ভোরের শিশির ভেজা ঘাস আর পাহাড়ের বুকে সুভ্রূ তুলুর মত কুয়াসায় চাদর বলে দেয় শীতের আমেজ আপনার দরজায় কড়া নাড়ছে।
শীতে রকমারি কাঁচা সবজির সমারোহ থাকে সবজি বাজার গুলোতে।
বান্দরবানের বড় সবজি বাজার ঘুরে জানা গেলো শীতের সবজির বাজারের হালচাল।

সঞ্জয় একজন স্থানীয় পাইকারি সবজি বিক্রেতা তিনি জানান আগের চেয়ে প্রতি ট্রিপে কাঁচামাল সবজি পরিবহনের খরচ বেড়ে গেছে।এখন প্রতি ট্রিপে ৮০০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা বেশি পরিবহন খরচ বেশি লাগে।সেই তুলনায় বাজারে সবজির দামের উপর তেমন প্রভাব পড়ে নি।

স্থানীয় ভাবে যে সকল কৃষক শীতকালীন সবজি উৎপাদন করছেন তাদের পন্য এখনো বাজারে আশে নি।

ফলে বাহিরের জেলা হতে এখনো পর্যন্ত বেশির ভাগ সবজি বাজারে সরবরাহ হচ্ছে।
বিশেষ করে মেহেপুর জেলা,রাজশাহী,বাগুড়া হতে সবজি চট্রগ্রাম রিয়াজুদ্দিন বাজারে আশে ঐ খান থেকে পুনরায় পাইকারি ক্রেতারা তা বান্দরবানে সরবরাহ করে থাকে।

বর্তমানে শীতকালীন সবজির বাজারের দরদাম বিচারে শীতকালীন মুলা কেজি প্রতি পাইকারি ১৫ থেকে ২০ টাকা যা খুচরা বাজারে ৩০ টাকা করে বিক্রি হয়,
ফুলকপি কেজি প্রতি পাইকারি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা যা খুচরা বাজারে ৬০ টাকা করে বিক্রি হয়,টমেটু কেজি প্রতি পাইকারি ১২০ থেকে ১৩০ টাকা যা খুচরা বাজারে ১৫০ টাকা করে বিক্রি হয়,বাধা কপি কেজি প্রতি পাইকারি ২৫ থেকে ৩০ টাকা যা খুচরা বাজারে ৪০ টাকা করে বিক্রি হয়,সিম কেজি প্রতি পাইকারি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা যা খুচরা বাজারে ৮০ টাকা করে বিক্রি হয়,তিত করল্লা কেজি প্রতি পাইকারি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা যা খুচরা বাজারে ৬০ টাকা করে বিক্রি হয়,বেগুন কেজি প্রতি পাইকারি ২৫ থেকে ৩০ টাকা যা খুচরা বাজারে ৪০ টাকা করে বিক্রি হয়,মিস্টি কুমড়ো কেজি প্রতি পাইকারি ১৫ থেকে ২০ টাকা যা খুচরা বাজারে ৩০ টাকা করে বিক্রি হয়,কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি পাইকারি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা যা খুচরা বাজারে ৫০ টাকা করে বিক্রি হয়।

বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা মোঃ মিজান জানান বর্তমান বাজারে এখনো স্থানীয় চাষিদের উৎপাদিত সবজি বাজারে আশে নি যদি স্থানীয় ভাবে চাষকৃত সবজি বাজারে আশে তাহলে শীতকালীন সবজির দাম অনেকটা কমে যাবে।