বান্দরবানে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট


জয় বাংলা নিউজ প্রকাশের সময় : ১৩/০৬/২০২৪, ৬:৪৬ PM / ১৯
বান্দরবানে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

নিউজ ডেস্ক।

 

সকাল থেকেই তপ্ত রোদ আর মেঘলা রোদের মিশেলে দিনের শুরু।মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা,যা অনেকের কাছেই কোরবানির ঈদ নামে পরিচিত।কোরবানির ঈদ উপলক্ষে জমে উঠেছে জেলায় পৌরসভার অনুমোদিত ৭ টি পশুর হাট,হাটে ব্যাস্ত সময় পার করছে বিক্রেতা এবং ক্রেতা।সকাল ৮ টা থেকেই জেলা সদরের বিভিন্ন জায়গা হতে পৌর এলাকার বালাঘাটা বিলকিস বেগম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বালাঘাটা মসজিদ সহ ১৪ টি মসজিদ কমিটির সমন্বয়ে করা গরু ছাগলের হাটে গরু ও ছাগল নিয়ে দুরদুরান্ত হতে বিক্রেতারা আসতে শুরু করেছে।

হাটে গরু নিয়ে আশা  মোঃ আবু তাহের জানান হাটে মিয়ানমারের  কোন গরু না আশায় গরুর বাজারে বেশির ভাগ দেশীয় গরু,বর্তমানে বেচাকেনা কিছুটা কম হলেও আশা করছি হাটে আনা গরুগুলো বিক্রি হয়ে যাবে, ক্রেতাদের সাথে ২০-২৫ হাজার টাকার বিক্রি পার্থক্য থাকায় এখনো বিক্রি করতে পারিনি।জানালেন পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারনে লালনপালনেও খরচ একটু বেশি হয়েছে।আরেক বিক্রেতা মোঃ আবু তৌয়ব জানান বাজারে আমার আনা গরু সবচেয়ে বড়, দাম ৩ লাখ পঞ্চাশ চেয়েছি ১০-২০ হাজার কম পেলেও ছেড়ে দিবো।তিনি বলেন বাজারে বার্মিজ কোন গরু না আশায় আমরা আশা করছি গরুর দাম ভালো পাবো।
এদিকে হাটে গরু কিনতে আশা এক ক্রেতা জানালেন গত বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম অনেক বেশি, ১ লাখ টাকার নিচে কোন গরু হাটে নেই।গতবছর যে গরু ১ লাখ ২০ হাজারে পাওয়া যেতো সেটা এ বছর ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে না।এদিকে সবগুলু হাটেই পাহাড়ে প্রাকৃতিক ভাবে বেড়ে ওঠা পাহাড়ী গরুর চাহিদা বেশী

বালাঘাটা সম্মিলিত মসজিদ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে বিলকিস বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের হাটের ইজারার দায়িত্বে থাকা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আলী জানান এ বছরে গরুর হাটের শুরু হতে আজকে সকাল পর্যন্ত এই বাজারে  কোটি টাকার পশু কেনাবেচা হয়েছে।
ধারনা করা হচ্ছে আজকের শেষ বাজার পর্যন্ত  ১২-১৩ কোটি টাকার ব্যাবসা হবে।

তিনি জানান এই হাটে  ক্রেতারা পছন্দ মতো পশু কিনতে পারছে। বাজারে প্রচুর গরু রয়েছে দেখে শুনে নিতে পারবে। বিশেষ করে পাহাড়ী এলাকা থেকে  প্রচুর গরু ও ছাগল নিয়ে এসেছে পাহাড়ীরা। অনেক গরু বিক্রেতাই হাটের বড় গরুর দাম হাকছেন বেশি তবে শেষ দিকে তা কমবে বলে আশা করছেন ক্রেতারা।হাটের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে  পুলিশ সদস্য বৃন্দ। এছাড়া গবাদিপশুর একজন চিকিৎসক ও হাটে অবস্থান করছেন।