বির্সজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বান্দরবানে শারদীয়া দূর্গোৎসব।


জয় বাংলা নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫/১০/২০২২, ১০:১৪ PM / ১২
বির্সজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বান্দরবানে শারদীয়া দূর্গোৎসব।

নিজস্ব সংবাদদাতা।

বান্দরবান জেলায় এবার ৭টি উপজেলার ৩২টি পূজামন্ডপে শারদীয়া দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শারদীয় দুর্গাপূজার ৫ দিনব্যাপী ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান  সমাপ্তির পর বান্দরবানে জাঁকজমক আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাৎসব।

দেশের অন্নান্য জেলার মতো উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপন করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।  দুর্গাপূজায় মাকে বিদায় জানানোর জন্য  বুধবার (৫ অক্টোবর) সকাল থেকে মন্দিরে মন্দিরে চলে সিঁদুর খেলা। ঢাকের তালে আর কাঁসার বর্ণিল আওয়াজে খুশিতে মেতে ওঠে শিশু থেকে বৃদ্ধ বয়সী সকলে।
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাকে বিদায় জানাতে গিয়ে কান্নায় ভরে যায় ভক্তদের মনে, ভক্ত ও সাধারণ দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপ ।

দুপুর থেকে ঢাক-ঢোলের তালে প্রতিমা বিসর্জন দিতে সবাই হেঁটে আর ট্রাকে করে ছুটতে থাকে বান্দরবানের সাংগু নদীর তীরে। একে একে নদীর পানিতে বিসর্জন দেয়া হয় দেবী দুর্গাসহ সকল প্রতিমাকে।
সকাল ৯টায় বান্দরবান রাজার মাঠে কেন্দ্রীয় দুর্গাপুজা উদযাপন পরিষদের পূজামন্ডপে বিজয়া দশমীর পুষ্পাঞ্জলি গ্রহণের জন্য ভীড় জমায় অসংখ্য ভক্ত। এসময় পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করেন বান্দরবান কেন্দ্রীয় মন্দিরের পুরোহিত শংকর চক্রবর্তী।

পুষ্পাঞ্জলি প্রদান অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি উপস্থিত থেকে বিজয়া দশমীর পুষ্পাঞ্জলি গ্রহণ করেন। এসময় বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অমল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক তাপস কান্তি দাশ,পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লক্ষীপদ দাশসহ বান্দরবানের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন।

পুষ্পাঞ্জলি শেষে সনাতন ধর্মালম্বীরা একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করে দেবীর বির্সজনের বার্তা জানায়, মন্ডপে মন্ডপে চলে ঢাক-ঢোল ও ধর্মীয় আরতি। ধুপ আর মোমবাতির আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে পুরো পূজামন্ডপ।

পাহাড়ের ভক্ত আর জনসমাগমের পদচারণায় প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন।