রামগড় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিশ্ব প্রদীপ কুমার কার্বারী দ্বিতীয়বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত


জয় বাংলা নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯/০৫/২০২৪, ৯:৫১ AM / ৪৭
রামগড় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিশ্ব প্রদীপ কুমার কার্বারী দ্বিতীয়বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত

শুভাশীষ দাশ, প্রতিনিধি রামগড়( খাগড়াছড়ি)।

 

খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলা পরিষদর নির্বাচনে বিশ্ব প্রদীপ কুমার কার্বারি দ্বিতীয়বারের মত বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

বুধবার ৮ই মে ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে খাগড়াছড়ি চারটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রামগড় উপজেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিশ্ব প্রদীপ কুমার কারবারি আনারস প্রতীক নিয়ে লড়ে ১৩ হাজার ৮৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক। দোয়াতকলম প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী তার নিকটতম প্রার্থী পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল কাদের পেয়েছেন ৮ হাজার ৪৪৭ ভোট। অপর প্রার্থী কংজঅং মারমা পেয়েছেন দুই হাজার ৭৯ ভোট। বিশ্ব প্রদীপ কারবারি পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় তিনি এলাকার সাধারণ ভোটারদের অভিনন্দন ও প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান বিশ্ব প্রদীপ কুমার কারবারি এ প্রতিনিধিকে জানান গত পাঁচ বছরে রামগড় উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে সাধারণ জনগণ তাকে আবার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করেছেন। তিনি সাধারণ ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মোবারক হোসেন বাদশা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আহসান নীলা। বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার ফারুককে ৬ হাজার ৫৫৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে মোবারক হোসেন বাদশা বিজয়ী হন। তার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ১০ হাজার ৯৭১। নাছিমা আহসান নীলা ৮ হাজার ৪৩৭ ভোটে পরাজিত করেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান হাছিনা আক্তারকে। নীলার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ১৬ হাজার।
বুধবার রাত ১০টায় রামগড় উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রির্টানিং অফিসার মো. জমির উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে তাদের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

সকাল ৮টা থেকে উপজেলার ২০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বেলা ৪টা পর্যন্ত চলে। ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণার পর খাগড়াবিল ও লামকুপাড়া কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।